খুলনা ধর্মপ্রদেশের ইতিহাস

বিশপ জেমস রোমেন বৈরাগী
📊 খুলনা ধর্মপ্রদেশ: সংক্ষিপ্ত তথ্য
📅 প্রতিষ্ঠা ৩ জানুয়ারি ১৯৫২ (যশোর ধর্মপ্রদেশ)
📅 নাম পরিবর্তন ১৪ জুন ১৯৫৬ (খুলনা ধর্মপ্রদেশ)
📍 সদর দপ্তর খুলনা, বাংলাদেশ
⛪ ক্যাথেড্রাল সেন্ট যোসেফ ক্যাথেড্রাল
👤 বর্তমান বিশপ বিশপ জেমস রোমেন বৈরাগী
🛡️ পৃষ্ঠপোষক সাধু ধন্য কুমারী মরিয়মের স্বর্গারোহণ (Assumption of Mary)
👥 ক্যাথলিক বিশ্বাসী ৩৬,৬৮৩ জন
⛪ প্যারিশ ১০টি
🏘️ মিশন ৮৩টি
✝️ মোট পুরোহিত ৪২ জন
👨 ডায়োসিসীয় পুরোহিত ৩০ জন
🙏 ধর্মীয় সংঘের পুরোহিত ১২ জন
👨 Brothers ২৩ জন
👩 Sisters ৮৪ জন
🎓 Seminarians ২ জন
তথ্যসূত্র: GCatholic.org, Catholic-Hierarchy.org এবং Diocese of Khulna-এর প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত।

খুলনা ধর্মপ্রদেশ (Diocese of Khulna) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্যাথলিক চার্চের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মপ্রদেশ। এর যাত্রা শুরু হয় ৩ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে, যখন যশোর ধর্মপ্রদেশ (Diocese of Jessore) নামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই সময় এটি কলকাতা মহাধর্মপ্রদেশ থেকে পৃথক হয়ে একটি নতুন ধর্মপ্রদেশ হিসেবে গঠিত হয়।

খুলনা অঞ্চলে ক্যাথলিক চার্চের ইতিহাস আরও পুরোনো। ১৮৫৫ সাল থেকে ইতালির Pontifical Institute for Foreign Missions (PIME)-এর মিশনারিরা এ অঞ্চলে সুসমাচার প্রচার শুরু করেন। ১৮৫৬ সালে ফাদার আন্তোনিও মারিয়েত্তি, PIME যশোরে এসে মিশনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেন। পরবর্তীতে সেলেসিয়ান (Salesian) এবং জেভেরিয়ান (Xaverian) মিশনারিরাও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ধর্মপ্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৪ জুন ১৯৫৬ সালে যশোর থেকে বিশপের সদর দপ্তর খুলনায় স্থানান্তর করা হয় এবং ধর্মপ্রদেশটির নাম পরিবর্তন করে খুলনা ধর্মপ্রদেশ রাখা হয়। এরপর থেকে সেন্ট জোসেফ ক্যাথেড্রালকে ধর্মপ্রদেশের প্রধান ক্যাথেড্রাল হিসেবে গড়ে তোলা হয়।

১৯৫০ সালে ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশ প্রতিষ্ঠার পর খুলনা ধর্মপ্রদেশ তার অধীনস্থ (Suffragan Diocese) ধর্মপ্রদেশ হিসেবে পরিচালিত হতে থাকে। পরবর্তীতে ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম ধর্মপ্রদেশ মহাধর্মপ্রদেশে উন্নীত হলে খুলনা ধর্মপ্রদেশ চট্টগ্রাম মহাধর্মপ্রদেশের অধীনস্থ ধর্মপ্রদেশে পরিণত হয়।

বর্তমানে খুলনা ধর্মপ্রদেশের নেতৃত্বে রয়েছেন বিশপ জেমস রোমেন বৈরাগী। ধর্মপ্রদেশটি খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সমাজকল্যাণ এবং সুসমাচার প্রচারের মাধ্যমে চার্চের মিশনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।